রাজশাহীর খেজুরের গুড়

রাজশাহীর খেজুরের গুড়


🎅 শীতকাল অথচ খেজুরের গুড় নিয়ে লেখা-লেখি হবে না তা কি হয়! আমার লেখনি শক্তি অতটা ভালো না তারপরও খেুজুরের গুড় নিয়ে ধারাবাহিক কিছু একটা ✍ লেখার চেষ্টা করবো ইনশা-আল্লাহ।
আজকের পর্বে রাজশাহীর খেজুর গুড় নিয়ে কথা বলবো।

🔥রাজশাহীর খেজুর গুড়ঃ
শীতের সকাল। হিম শীতল আবহাওয়া। চারিদিকে কুয়াশায় ঢাকা। কিছুই চোখে দেখা যায় না। তবে কুয়াশায় চোখের দৃষ্টি আটকালেও ঘ্রাণ কিন্তু আটকায় না। চারিদিকে খেজুরের গুড়ের মৌ মৌ মিষ্টি গন্ধে ভরা।

🤦যেখানেই থাকুন চোখ বন্ধ করে আপনিও একবার ঘ্রাণটা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

👉তবে ঘ্রাণটা পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে যশোর বা রাজশাহী যেতে হবে। কারণ খেজুরের গুড়ের জন্য যশোর ও রাজশাহী বিখ্যাত।

👉ট্রাস্টেড সোর্স থাকলে অবশ্য আপনি দালান-কোঠার শহর থেকেও আসল খেজুরের গুড়ের ঘ্রাণ পেতে পারেন। কিন্তু শীতের সকালে খেজুর গাছ থেকে রস নিয়ে এসে চুলায় যখন জ্বাল দেওয়া হয় সেই ঘ্রাণটা সত্যিই অনন্য।

👉শীতের মৌসুমের শুরুতেই রাজশাহীতে জমে উঠেছে খেজুর গুড়ের হাট। ঘন কুয়াশা ও ঠাণ্ডার মধ্যে গাছিরা খেজুর রস সংগ্রহ করেন। পরে তা জ্বাল দিয়ে তৈরি করেন খেজুর গুড়।

👉রাজশাহীতে খেজুর গাছের সংখ্যা প্রায় ৭ লাখ ৮০ হাজার। এসব গাছ থেকে প্রতি শীত মৌসুমে প্রায় ৮ হাজার টন গুড় উৎপাদন হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গাছ আছে চারঘাট উপজেলায়।

👉সেখানে গাছের সংখ্যা ৩ লাখ ৯৬ হাজার। বাঘা উপজেলায় খেজুর গাছ রয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার। আর পুঠিয়া উপজেলায় খেজুর গাছের সংখ্যা ৮৫ হাজার।

👉শীতে এসব গাছ হয়ে ওঠে গাছিদের কর্মসংস্থানের উৎস। একেকজন কৃষক গাছের সংখ্যা অনুপাতে গাছি নিয়োগ করেন। তারা মৌসুম জুড়ে রস সংগ্রহ ও গুড় উৎপাদনের কাজে নিয়োজিত থাকেন।

🔥রাজশহীর ভেজালমুক্ত আসল 🍂খেজুরের গুড় নিতে চাইলে ফোন করুন নিচের নাম্বারে।
📞01611-50 07 77
📞01537-36 49 06

Comments