Posts

রাজশাহীর খেজুরের গুড়

Image
  রসের ঝাঝালো গন্ধে মঁ মঁ করছে সারা বাড়ি। নতুন খেজুরের গুড়ের সুমিষ্ট গন্ধ ছড়িয়ে গেছে দূর দূরান্তে। শাকিল এসেছে তার প্রিয় বন্ধু হাবিব এর সাথে তাদের বাড়িতে। হাবিবদের বাড়ি রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলায়। শীতকালে এখানকার প্রতিটি ঘরে ঘরে চলে নতুন খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি শীতের নানা পিঠা উৎসব। যেমন: দুধ চিতই, ভাপা পিঠা, পুলি পিঠা, সেমাই পিঠাসহ আরও লোভনীয় সব পিঠা। শাকিলের আসার কারণে হাবিবদের বাড়িতেও জমে উঠেছে পিঠা উৎসব। হাবিবের মা গতরাতে দুধ চিতই তৈরি করেছিলো আজ ভাপা পিঠা ও পুলি পিঠা বানাবে। শাকিলের খুবই মজা লাগছে কারণ ছোট বেলা থেকেই শহরে থাকার কারণে সে এই সমস্ত পিঠার কথা শুধু বইতে পড়েই এসেছে। আজ নিজ চোখে সে সমস্ত পিঠা বানানো দেখে তার খুবই মজা লাগছে। সুস্বাদু এই সব পিঠার মজা নিতে আপনিও চলে আসতে পারেন রাজশাহীতে। কারণ রাজশাহীর খেজুরের গুড়ের সুখ্যাতি সারাদেশ ব্যাপী। অথবা আপনি চাইলে শহরে থেকেও পরিবারের সাথে মজা করে শীতের সুস্বাদু সব পিঠার স্বাদ নিতে পারেন কারণ পল্লী পণ্য আপনার বাড়িতে পৌছে দিবে 100% চিনিমুক্ত এবং কেমিক্যালমুক্ত রাজশাহীর সেই বিখ্যাত খেজুরের গুড়। তাই আর দেরি না করে এখন...

খেজুরের গুড় খাওয়ার উপকারিতা

Image
🤔খেজুরের গুড়ের উপকারিতাঃ শীতকালের কথা আসলেই খেজুরের রস-গুড়-পাটালীর স্বাদ জিভে চলে আসে। কিন্তু জানেন কি, কেবল পিঠার স্বাদ বাড়াতেই নয়, নানা অসুখের প্রতিরোধক হিসেবেও ব্যবহৃত হয় খেজুরের গুড়। . চলুন জেনে নেওয়া যাক খেজুরের গুড়ে কি কি উপকারিতা আছে- ✍ খেজুরের গুড় হজমে সাহায্যকারী এনজাইমের শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়। ✍ খেজুরের গুড়ে প্রচুর পরিমানে আয়রণ থাকে। প্রতিদিন অল্প পরিমানে গুড় খেলে আয়রণের অভাব পূরণ হয়ে যায়। ✍ খেজুরের গুড় শীতকালে শরীরকে গরম রাখে। ফলে ঠাণ্ডা আবহাওয়ার সঙ্গে লড়তে সুবিধা হয়। ✍ হরমোনের সমতা রক্ষা ছাড়াও এনডোরফিন্স বা ‘হ্যাপি হরমোন’-এর ক্ষরণ বাড়িয়ে এই সমস্যাগুলো দূরে রাখে খেজুরের গুড়। ✍ খেজুরের গুড় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। ✍ খেজুরের গুড় লিভার থেকে যাবতীয় টক্সিন দূর করে শরীরকে সুস্থ রাখে। ✍ খেজুরের গুড় শরীরের মিনারেলের ঘাটতি পূরণ করে। ১০ গ্রাম গুড় প্রায় ১৬ মিলিগ্রাম মিনারেলের জোগান দেয়! ✍ গুড়ে সোডিয়াম আর পটাসিয়াম থাকে, যা ব্লাড প্রেসারের ভারসাম্য বজায় রাখে! ✍ শুধু লিভারই নয়, তার পাশাপাশি অন্ত্র, ফুসফুস এবং শরীরের অভ্যন্তরের অনেক যন্ত্রই পরিষ্কার রাখে খেজুরের গুড়। ✍ গুড় শরীর ...

রাজশাহীর খেজুরের গুড় ও শীতের পিঠা

Image
😋 পিঠা-পুলির সাথে খেজুরের গুড়ঃ খেজুরের গুড় তো খাবেন, কিন্ত তার আগে জানা প্রয়োজন কোন কোন পিঠা খেজুরের গুড়ের সান্নিধ্যে অসাধারন সুস্বাদু হয়ে ওঠে। . 1⃣ পায়েস – শীতের সকাল। বাজারে এসেছে নতুন গুড়। সেই মিষ্টি গুড়ের জিভে জল আনা রেসিপির মধ্যে অন্যতম হলো খেজুর গুড়ের পায়েস। . 2⃣ ভেজানো চিতই পিঠা- শীতের সকালে ঠক ঠক করে কাঁপতে কাঁপতে খেজুরের গুড় দিয়ে ভিজিয়ে রাখা চিতই পিঠা খাওয়ার মজাই আলাদ। . 3⃣ ভাঁপা পিঠা – রাত্রি বেলায় চুলার চার পাশে বসে খেজুরের পাটালিী গুড় দিয়ে তৈরি মায়ের হাতের বানানো সেই অসাধারন ভাঁপা পিঠার কথা কি মনে পড়ে? . 4⃣ পুলিপিঠা – খেজুরের গুড় আর দুধ দিয়ে ভিজিয়ে রাখা অসাধারন সুস্বাদু আরেকটি পিঠা হলো পুলি পিঠা। . 5⃣ সেমাই পিঠা – গ্রামে যখন কয়েকজন মিলে হাতে কেটে সেমাই পিঠা তৈরি করে সেটা দেখতেই অনেক মজা লাগে। খেজুরের গুড় দিয়ে রান্না করার পরের স্বাদের কথা না হয় নাই বললাম। . 👉 এ ছাড়াও আরও অনেক পিঠাই খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি হয়। 😋 আসল খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি অসাধারন এই সব পিঠার স্বাদ গ্রহন করুন আর শীতের সকালের মিষ্টি রোদ উপভোগ করুন। .

চিনি মেশানো খেজুরের গুড় চেনার উপায়

Image
কিভাবে চিনবেন গুড়ে চিনি মেশানোঃ শীত চলে এসেছে পুরাপুরি। ফলে খেজুরের রসও আগের থেকে বেশী হচ্ছে এবং উন্নত মানের খেজুরের গুড়ও তৈরি হচ্ছে। সাথে আরেকটা জিনিসে চলছে সেটা হলো গুড়ে চিনি মেশানো। . কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশী লাভের আশায় খেজুরের গুড়ের সাথে চিনি মিশিয়ে বিক্রয় করছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে আপনি বুঝবেন গুড়ে চিনি দেওয়া আছে। . চিনি মিশ্রিত গুড় দেখতে সুন্দর দেখায় চকচকে একটা ভাব থাকে। চিনি মিশ্রিত গুড়ে সাদাভাব বেশী থাকে। চিনি মিশ্রিত গুড় নরমাল গুড় থেকে শক্ত হয়। খাটি খেজুরের গুড় কখনো ঝকঝকে হয় না বরং গাড়ো খয়েরি বর্ণের হয় এবং কিছুটা কালচে হয়। অনেকে আবার সাদা করার জন্য হাইড্রোজও ব্যবহার করে। . তাই সাবধান গুড় কেনার সময় অবশ্যই দেখে শুনে ভালো গুড় কিনুন এবং উপভোগ করুন শীতকালীন পিঠা-পুলি। রাজশাহীর ভেজালমুক্ত খেজুরের গুড় নিতে, চলে আসুন পল্লি পণ্যে ( PalliPonno )
Image
   কুয়াশায় আবৃত শীতের সকাল এখন গ্রামের পাশি পাশি শহরের দিকেও ধাবিত হচ্ছে। সাথে নিয়ে আসছে স্বাদে গুনে অনন্য পল্লী পণ্য, খেজুরের গুড়। শীতকালীন সুস্বাদু রসালো সব পিঠা খেতে প্রয়োজন এই সুমিষ্ট খেজুড়ের গুড়ের। আপনিও যদি শীতকালীন সুস্বাদু রসালো পিঠার স্বাদ গ্রহন করতে চান তাহলে এখনই নিচের নাম্বারে কল দিয়ে অর্ডার করে ফেলুন।   রাজশাহীর খেজুরের গুড়, খেজুরের গুড়, আসল খেজুরের গুড়, যশোরের খেজুরের গুড়, পাটালি গুড়, ঝোলা গুড়, ভেজাল মুক্ত খেজুরের গুড়, খাটি খেজুরের গুড়, নলেন গুড়
Image
  কুয়াশায় আবৃত শীতের সকাল এখন গ্রামের পাশি পাশি শহরের দিকেও ধাবিত হচ্ছে। সাথে নিয়ে আসছে স্বাদে গুনে অনন্য পল্লী পণ্য, খেজুরের গুড়। শীতকালীন সুস্বাদু রসালো সব পিঠা খেতে প্রয়োজন এই সুমিষ্ট খেজুড়ের গুড়ের। আপনিও যদি শীতকালীন সুস্বাদু রসালো পিঠার স্বাদ গ্রহন করতে চান তাহলে এখনই নিচের নাম্বারে কল দিয়ে অর্ডার করে ফেলুন।   রাজশাহীর খেজুরের গুড়, খেজুরের গুড়, আসল খেজুরের গুড়, যশোরের খেজুরের গুড়, পাটালি গুড়, ঝোলা গুড়, ভেজাল মুক্ত খেজুরের গুড়, খাটি খেজুরের গুড়, নলেন গুড়

ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরি করতে যা যা মেশানো হয়

Image
👉এই পর্বে ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরি করতে কি মেশানো হয় সে সম্পর্কে লেখার চেষ্টা করবো ইনশা-আল্লাহ। . 👉এই পর্বের শুরুতেই আপনাদের জন্য দুইটা ধাঁ ধাঁ দিলাম দেখি কে কে পারেন। ধাঁধা ০১ – আল্লাহর কি কুদরত, লাঠি ভরা শরবত। ধাঁধা ০২ – কেটে শুকনো কাঠ, নামে হাড়ি ভরা রস। . 😠এক শ্রেণির অসৎ মানুষ, অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ী আল্লাহর এসব নেয়ামতকে বিষ করে তুলছে। বেশী মুনাফার লোভে তারা ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরি করছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। . 👉তাই আসুন জেনে নেই খেজুরের গুড় ভেজাল করতে কি কি মেশানো হয়ঃ ✔️ চিনি – চিনির দাম যেহেতু গুড়ের চেয়ে কম এই জন্য গুড়ে চিনি মেশানো হয়। ✔️ টি ব্যাগ – অনেক সময় চিনি বেশী মেশানোর কারণে সাদা সাদা হয়ে যায়। তখন আবার কালচে ভাব আনার জন্য টি-ব্যাগ ব্যবহার করা হয়। ✔️ অনেকেই কালচে গুড় নিতে চাই না এই জন্য কিছু কিছু ব্যবসায়ী সাদা করার জন্য চকের গুড়া ব্যবহার করে। ✔️ অনেকেই আবার সাদা করার জন্য হাইড্রোজ, ফিটকারী বা ইউরিয়া ব্যবহার করে। ✔️ অধিক পরিমাণে চিনি ব্যবহার কারণে জ্বাল দেওয়ার সময় ফেনা তৈরি হয়। এই ফেনা কমানো জন্য আবার সরিষার তৈল ব্যবহার করা হয়। ✔️ কেউ আবার চিনি, রং, হাইড্রোজ, সো...

রাজশাহীর আসল খেজুরের গুড়

Image
 

রাজশাহীর খেজুরের গুড়

Image
  রাজশাহীর খেজুরের গুড়

ভেজালমুক্ত খেজুরের গুড় চেনার উপায়

Image
  শীতের আমেজ শুরু হলেই বাংলার ঘরে ঘরে শুরু হয়ে যায় পিঠা-পুলির উৎসব। আর শীতকালীন এই সব পিঠা বানাতে সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন হয় খেজুর গুড়ের। তবে পিঠার আসল স্বাদ পেতে গুড়টা অবশ্যই খাটি হতে হবে। তাই আসুন জেনে নেই কিভাবে খাটি গুড় চিনবেন? বাজারে গেলেই দেখবেন, একেক দোকানে গুড়ের রং একেক রকম। কোনোটা হালকা খয়েরি, কোনোটা একটু লালচে, কোনোটা বা আবার কমলা রঙের বা হলদেটে। খেয়াল রাখবেন, ভালো গুড় হবে সব সময় গাঢ় খয়েরি রঙের বা একটু কালচে রঙের অথবা গাঢ় বাদামি রঙের । চিনি মিশ্রিত গুড় সবসময় একটু শক্ত হয়। তাই গুড় কেনার সময় গুড়ের ধারটা দুই আঙুল দিয়ে চেপে দেখবেন। যদি নরম লাগে, বুঝবেন গুড়টি বেশ ভালো মানের। ধার কঠিন হলে বুঝবেন গুড়টি খাটি নয়। যদি গুড় একটু হালকা তিতা স্বাদের হয়, তবে বুঝতে হবে গুড় বহু ক্ষণ ধরে জ্বাল দেয়া হয়েছে। পুরনো ও ভেজাল গুড় নোনতা হয়। আর অতিরিক্ত জ্বাল দেওয়ার ফলে তিতা ভাব চলে আসে গুড়ে। গুড় যদি দেখাতে বেশী ঝকঝকে দেখা যায় হয়, তবে বুঝবেন এই গুড়ের সাথে চিনি মিক্সড করা হয়েছে। কেনার সময় একটু গুড় ভেঙে মুখে দিয়ে দেখুন। জিভে নোনতা স্বাদ লাগলে বুঝবেন এই গুড় খাঁটি নয়। অনেক অসাধু ব্যাবস...

খেজুরের গুড় তৈরি করার পদ্ধতি

Image
কষ্ট ছাড়া কখনও কেষ্ট মেলে না। খেজুর গুড় খাইতে যেমন মিষ্টি তেমনই এর পিছনে রয়েছে খেজুরের কাটার আঘাত এবং অনেক নির্ঘুম রজনী। সুস্বাদু গুড় তৈরি করার জন্য যেমন দরকার প্রথম দিনের রস, ঠিক তেমনি দরকার পাকা হাত। কারণ সঠিক মাত্রা অনুযায়ী জ্বাল না দিলে রং এবং স্বাদ দু’টাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই যদি না হবে তাহলে বিচ্ছেদের পরেও দুই হাঁড়ি খেজুর রস নিয়ে মোতালেফ মিয়াঁর ছোটা লাগে না আগের বউ মাজু খাতুনের কাছে। কারণ, নতুন বউ ফুলবানুর হাতে ওই জাদু নেই। ফুলবানুর পাক দেওয়া গুড় বাজারে বিকোয় না। পাঠক হয়তো ভাবছেন মোতালেফ মিয়াঁ আর মাজু খাতুনেরা আবার কোথা থেকে এল। ঠিকই, খেজুর রস আর গুড় তৈরি নিয়ে অপূর্ব এক জীবননিষ্ঠ গল্প লিখেছেন নরেন্দ্রনাথ মিত্র। গল্পের নামও ‘রস’। আপনারা চাইলে গল্পটি পড়ে নিতে পারেন। খেজুরের গুড় তৈরির পদ্ধতিঃ খেজুরের গুড় তৈরির করার জন্য ভোরের আলো ফোটার আগেই গাছ থেকে রস সংগ্রহ করতে হয়। রস সংগ্রহ করার কলসগুলো চুন দিয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হয়। একটি গাছ থেকে দুই/তিনবার রস সংগ্রহ করার পর আবার ৩/৪দিন বিরতি দিতে হয়। রস ছাকনি দিয়ে ছেকে প্রায় ৩ ঘন্টা আগুনে জ্বাল দিতে হয়। রস জ্বাল দেওয়ার সময় তার মধ্যে...