খেজুরের গুড়ের ইতিহাস
কৃত্তিবাসের নলেন গুড় / জয়নগরের মোয়া রাজশাহীর মিষ্টি আম / খাজা কাঁঠালের কোয়া সাতক্ষীরার চিংড়ি / সুন্দরবনের মউ এনে যদি দিতে পার / বাসবে ভালো বউ। খেজুরের গুড়ের আরেক নাম নলেন গুড়। খেজুরের গুড় ভালোবাসে না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া ভার। কিন্তু প্রশ্ন হল, খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড়ের নাম নলেন গুড় হল কীভাবে! . এর উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, দ্রাবিড়ীয় শব্দ ‘ণরকু’ শব্দ থেকে নলেন শব্দটি এসেছে। আর ‘ণরকু’ শব্দের অর্থ হল ছেদন করা বা কাটা। অন্যদিকে হরিনারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর মতে নরুন থেকে নলেন শব্দের উৎপত্তি। নরুন শব্দের অর্থও ছেদন করা বা কাটা। খেজুর গাছ থেকে রস বের করতে গুড় প্রস্তুতকারীরা প্রথমে দা দিয়ে চেঁছে দেয় তারপর নরুনে ফুটো করে ও তার থেকে রস চুঁইয়ে চুঁইয়ে হাঁড়িতে পড়ে। এখান থেকেও নলেন গুড় নামের উদ্ভব হতে পারে বলে ধরে নেওয়া হয়। এই নলেন গুড়ের আরও একটা নাম আছে—লালি গুড়। খেজুর গাছ প্রত্যেকদিন কাটলে গুড়ের মান বজায় থাকে না। তাই সপ্তাহে তিনদিন মাত্র রস নির্গত করা হয় এবং তিনদিন গাছকে বিশ্রাম দেওয়া হয়। প্রথম দিনের রস থেকে তৈরি গুড়কেই মূলত নলেন গুড় বলা হয়। এই গুড়টা স্বাদে গন্ধে থাকে ভরপুর। দ্বিতীয় ও...